কবিতা

বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪

 শোষণ 

আমরা যারা আমজনতা

সবাই তো আর অন্ধ না

দুর্ণীতিবাজ লুটেরাদের 

করবো কেন বন্দনা।

অট্টালিকায় বসে তারা 

দেশটা  খাচ্ছে  লুটে 

মাদক জুয়া ঘুষ দুর্নীতির

চিত্র ফুটে উঠে। 

দুর্ণীতিবাজ  লুটেরাদের 

করি আমরা তোষণ

এই সুযোগে করছে তারা 

আচ্ছামত শোষণ।

যুদ্ধ করে জয় করেছি

আমরা এমন জাতি 

তবে কেন আজকে দেশের

এমন পরিনতি।


 আল কোরানের আলো

তোমার কাজে কর্মে যদি 

জানায় লোকে ধিক্ষার 

তবে  বলো কী দাম আছে

তোমার এমন শিক্ষার ?

ডিগ্রীধারী হলেই কেবল

হয় কি মানুষ ভালো ?

থাকতে হবে তার মধ্যে

সুশিক্ষার আলো।

শিক্ষিত লোক দুর্ণীতিবাজ 

গর্ব করার নাই কিছু 

আরো কিছু অসৎ লোক

ঘুরে দেখি তার পিছু। 

মন থেকে মুছে ফেল 

কুশিক্ষার কালো 

ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দাও

আল কোরানের আলো।


 কদরের রাত্রী 

এক এক করে দিন 

চলে চলে যায় মাস 

রোজাদার গরমে 

করে হাঁসফাস।

কিভাবে যে দিন যায়

যায় না বুঝা 

খোদাভীতি থাকলে 

রোজা রাখা সোজা।

রহমতের দশ দিন 

হয়ে গেলে পার

মাগফিরাতের দশ দিন 

এসে  যায় তার।

নাজাতের দশ দিনে 

কদরের রাত্রী 

ক্ষমা চায় মুসলিম

কেঁদে সারারাত্রী। 

অতীতে মুমিনের 

যত পাপ জমা

খুশি হলে স্রষ্টা 

করে দেয় ক্ষমা।


 বঞ্চিতজন

ফিন্নি পায়েস খাচ্ছ ঈদে

কত কিছু দিয়ে

বঞ্চিতদের পাশে দাঁড়াও 

একটা কিছু নিয়ে।

গরিব দুখী মানুষ যারা 

পায় না ভালো খাবার

সাধ্যমত চেষ্টা কর 

তাদের কিছু দেবার।

তোমার দানে তাদের মুখে 

ফুটবে সুখের হাসি 

আল্লাহ মহান তোমার প্রতি

হবে অনেক খুশি ।


 নামাজ

রাতের আঁধার দূর হয়েছে

সুব্হে সাদিক ভোর

মোয়াজ্জিনের কণ্ঠে শোন

আযান সুমধুর।

ঘুমের চেয়ে নামাজ ভালো

বলছে মোয়াজ্জিন

এমনি করে নামাজ পড়তে

ডাকে প্রতিদিন।

রাতের বেলায় সজাগ থেকে

দিনের বেলায় ঘুমকাতর

সকাল সকাল ঘুম ভাঙে না

ঘুম ভাঙতে হয় দুপুর।

ফজর নামাজ পড়তে হবে

সূর্য উঠার আগে

শরীর মন থাকবে ভালো

অলসতা ত্যাগে।


 কী গরম বাপরে!

দিনে দিনে বাড়ছে 

সূর্যের তাপরে

কী  গরম লাগছে

বাপরে ! বাপরে !

গরমেতে হাঁসফাঁস 

লাগে বড় কষ্ট

মাঠ ফেটে চৌচির 

ফসলাদি নষ্ট ।

মাঠ-ঘাট পুড়ছে 

কী যে অনাসৃষ্টি 

এ সময়ে যদি আসে

খানিকটা বৃষ্টি ।

সারা দেহ জ্বলছে 

স্বস্তিটা পেতে তাই 

মৃদু মন্দ মলয়

কোথায় খোঁজে পাই।

এসময়ে প্রয়োজন

এক ঝাক বৃষ্টি

আকাশের দিকে তাই

সকলের দৃষ্টি।


 খোকন সোনা

 

 খোকন সোনা  রাগ  করেছে

 মুখ করেছে ভার

কেউ কী তোমরা বলতে পার

কি হয়েছে তার ? 

চাঁদের হাসি ম্লান  করে 

খোকার  হাসির ঝলক 

খিলখিলিয়ে হাসে খোকা 

পড়ে  না তাই পলক ।

কে বলেরে মন্দ খোকা

কার হয়েছে কাল 

হাসি-খুশি খোকন সোনা 

থাকবে  চিরকাল ।